জুমার খুৎবাহঃ শয়তান ও তার চক্রান্ত - দৈনিক সত্য প্রকাশ

দৈনিক সত্য প্রকাশ

প্রতিদিনের বিভিন্ন সত্য খবর নিয়ে আমাদের এই আয়োজন। বস্তুনিষ্ঠ খবর জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন। -ধন্যবাদ।

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

জুমার খুৎবাহঃ শয়তান ও তার চক্রান্ত

 **শয়তান ও তার চক্রান্ত**

اَلْحَمْدُ لِلهِ رَبِّ الْعَلَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى سَيِّدِ الْمُرْسَلِيْنَ وَعَلَى آلِهِ وَأَصْحَابِهِ أَجْمَعِيْنَ أَمَّا بَعْدُ : فَأَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ ۝ بِسْمِ deathِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِ ۝ إِنَّ الشَّيْطَانَ لِلْإِنْسَانِ عَدُوٌّ مُّبِيْنٌ ۝ صَدَقَ اللهُ الْعَظِيْمُ

সম্মানিত ঈমানদার ভাইয়েরা! আজ মুহাররম মাসের ১৭ তারিখ, তৃতীয় জুমুআ। আজ আমরা ইবলীস শয়তান ও তার বিভিন্ন রকম চক্রান্ত সম্পর্কে আলোচনা করব, ইনশা আল্লাহ। আমরা জানি, মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হল ইবলীস শয়তান। আল্লাহ তায়ালা সূরা ইউসুফের ৫ নম্বর আয়াতে বলেছেনঃ

اِنَّ الشَّيْطٰনَ لِلْاِنْسَانِ عَدُوٌّ مُّبِيْنٌ

“নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।” তাই এই প্রকাশ্য শত্রু সম্পর্কে অবগত হওয়া আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত জরুরী। তা না হলে, আমরা যে কোন মুহূর্তে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যাব।

আল্লাহ তায়ালা সূরা রাহমানের ১৫ নম্বর আয়াতে বলেছেনঃ وَخَلَقَ الْجَانَّ مِنْ مَّارِجٍ مِّন| نَّارٍ “আল্লাহ জিন জাতিকে খাঁটি আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন।” এই পৃথিবীতে মানব জাতির আগে জিনেরা বসবাস করত। সেই জিনদেরই একজন হল, ইবলীস শয়তান। তাফসীরে তবারীতে সূরা বাকারার ৩৪ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যায় লেখা আছে, ফেরেশতারা জিনদের মধ্য থেকে ইবলীসকে বাল্য অবস্থায় গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। ইবলীস বহুদিন যাবত ফেরেশতাদের সঙ্গে থেকে ইবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। অবশেষে, আদম আলাইহিস সালামকে সাজদা করতে অস্বীকার করলে আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত থেকে vitারিত করে দেন।

সূরা আ'রাফের ১৪ থেকে ১৭ নম্বর আয়াতগুলিতে উল্লেখ আছে, ইবলীস শয়তান জান্নাত থেকে বের হওয়ার সময় আল্লাহর কাছ থেকে কিয়ামত পর্যন্ত বেঁচে থাকা ও মানুষকে চতুর্দিক থেকে ধোঁকা দিয়ে পথভ্রষ্ট করার ক্ষমতা চেয়ে নিয়েছিল। সহীহ বুখারীর ৭১৭১ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِيْ مِنَ ابْنِ آدَمَ مَجْرَى الدَّمِ

“নিশ্চয় শয়তান মানুষের রক্তের শিরায় শিরায় চলে।” এ জন্যই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে বেঁচে থাকার দুআ করতেন এবং উম্মতকেও দুআ চাইতে বলেছেন। অতএব, একজন সচেতন ঈমানদারের कर्तव्य হল, সর্বদা শয়তানের ধোঁকা থেকে সতর্ক থাকা এবং আল্লাহর কাছে তার থেকে আশ্রয় চাওয়া। আমরা কুরআন তিলাওয়াতের শুরুতে বলে থাকিঃ

أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ এর মানে হল, আমি আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

ঈমানদার ভাইয়েরা! এবার আমরা ইবলীস শয়তানের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ চক্রান্তের কথা আলোচনা করব। ইমাম তবারানী (রহ) মু'জামে কাবীরে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইবলীসকে যখন দুনিয়াতে পাঠানো হচ্ছিল, তখন সে বলেছিলঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে অভিশপ্ত করে দুনিয়ায় পাঠাচ্ছেন। তাই দুনিয়াতে আমার জন্য কয়েকটি সুযোগ করে দিনঃ

(১) দুনিয়ায় গিয়ে আমার থাকার জন্য ঘরের ব্যবস্থা করে দিন। তখন আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ তোমার ঘর হল বাথরুম। এ জন্যই সুনানে আবু দাউদের ৬ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

إِنَّ هٰذِهِ الْحُشُوشَ مُحْتَضَرَةٌ

“নিশ্চয় এই বাথরুম গুলিতে শয়তান থাকে।” আর এ জন্যই সহীহ বুখারীর ১৪২ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাথরুমে প্রবেশের পূর্বে এই দুআ পড়তেনঃ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَ الْخَبَائِثِ “হে আল্লাহ! আমি পুরুষ ও নারী দুষ্ট শয়তান থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।” মনে রাখবেন, এই দুআটি পড়ে নিলে শয়তান মানুষকে আর ক্ষতি করতে পারে না।

(২) দুনিয়ায় আসার সময় শয়তান আল্লাহকে বলেছিলঃ আমি দুনিয়ায় গিয়ে বসব কোথায়? আমার জন্য দুনিয়ায় বসার জায়গার ব্যবস্থা করে দিন। তখন আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ দুনিয়ায় তোমার বসার জায়গা হল, বাজার ও রাস্তার মোড়। সহীহ মুসলিমের ৬২০৯ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “বাজার হল শয়তানের আড্ডাখানা।” অতএব, আমরা যারা বিনা প্রয়োজনে বাজারে কিংবা রাস্তার মোড়ে বসে টাইমপাস করি, তারা নিজেদের বিষয়ে একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখি।

(৩) শয়তান বলেছিলঃ হে আল্লাহ! দুনিয়ায় আমার খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিন। তখন আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ মানুষেরা যে খাদ্য “বিсомিল্লাহ” না বলে ভক্ষণ করবে, সেটা হবে তোমার খাদ্য। এ দ্বারা বোঝা যায়, বিসমিল্লাহ না বলে পানাহার করলে তাতে কোন বরকত হয় না। কেননা, শয়তান তাতে ভাগ বসায়।

মনে রাখবেন, হাদীসে খাওয়া শুরু করার বিভিন্ন রকম দুআ বর্ণিত আছে। যদি সেগুলি মুখস্থ না থাকে, তাহলে কমপক্ষে বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করা উচিত। তাহলে, (ইনশা আল্লাহ) শয়তানের আক্রমণ থেকে বেঁচে যাবেন। এও মনে রাখা দরকার যে, যদি খাওয়ার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে ভুলে যায়, তাহলে খাওয়ার মাঝে মনে পড়লে বলবেঃ بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَ آخِرَهُ

সুনানে আবু দাউদে ২য় খণ্ডে ৫২৯ পৃষ্ঠায় লেখা আছে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসেছিলেন। এমতাবস্থায় সেখানে এক ব্যক্তি “বিসমিল্লাহ” না পড়ে পানাহার করছিল। যখন তার খাদ্য এক লোকমা বাকি রয়ে গেল, তখন সে ওই শেষ লোকমাটি মুখে রাখার সময় “বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু” পড়ে নিল। তখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাসতে হাসতে বললেনঃ শয়তান শুরু থেকে এর সাথে খাচ্ছিল। শেষে যখন দুআটি পড়ে নিল, তখন শয়তান একে খাদ্যের সব বমি করে ফিরিয়ে দিল।

(৪) শয়তান দুনিয়ায় আসার সময় আল্লাহকে বলেছিলঃ আমার জন্য পানির ব্যবস্থা করে দিন। তখন আল্লাহ তাকে বলেছিলেনঃ তোমার জন্য দুনিয়ার পানি হল, মদ। সূরা মাঈদার ৯০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ

يٰأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

“হে ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া, প্রতিমাপূজা ও লটারী কাটা অপবিত্র ও শয়তানী কাজ; সুতরাং তোমরা এ থেকে বেঁচে থাক, নিশ্চয় তোমরা সফল হবে।”

সুনানে ইবনে মাজা'র ৩৩৭১ নম্বর হাদীসে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবুদ্দ আরদা রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলেছিলেনঃ তুমি মদ পান করবে না। কেননা, মদ পান করা হল সমস্ত পাপের চাবিকাঠি।

(৫) শয়তান আল্লাহকে বলেছিলঃ আপনি দুনিয়াতে আমার জন্য এমন কিছুর ব্যবস্থা করে দিন, যা দ্বারা আমি মানুষকে আমার পথে আহ্বান করব। তখন আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ এর জন্য তোমাকে দিলাম বাঁশি ও বাদ্য যন্ত্র। মুসনাদে বায্যারের ৭৫১০ নম্বর হাদীসে (হাসান পর্যায়ের সহীহ সনদে) বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ দু’টি আওয়াজে আল্লাহর লা’নত বর্ষণ হয়ঃ খুশির সময় বাঁশির আওয়াজ আর দুঃখের সময় ইনিয়ে বিনিয়ে কান্নার আওয়াজ।

(৬) শয়তান দুনিয়ায় আসার সময় বলেছিলঃ আল্লাহ! আমি দুনিয়াতে কী পড়ব? আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ তোমাকে পড়ার জন্য দিলাম অশ্লীল কবিতা ও গান। সুনানে আবু দাউদে ৪৯২৭ নম্বর হাদীসে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ الْغِنَاءُ يُنْبِتُ النِّفَاقَ فِي الْقَلْبِ “গান-বাজনা অন্তরে নেফাক সৃষ্টি করে।”

অতএব, বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজকে বলব, গান-বাজনা বর্জন করতে হবে। বিশেষ করে বর্তমান যুগে মোবাইলের মাধ্যমে যে সমস্ত অশ্লীল ও অনর্থক খেলাধুলার প্রোগ্রামে সময় নষ্ট করা হয়, এসব অবশ্যই বর্জনীয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হিফাযত করুন।

(৭) শয়তান দুনিয়ায় আসার সময় বলেছিলঃ হে আল্লাহ! দুনিয়াতে আমার লেখা কী হবে? আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ তোমার লেখা হবে শরীরে ট্যাটু বানানো। আমরা দেখে থাকি, বে-দ্বীন যুবক-যুবতীরা নিজেদের শরীরে কোন নকশা, কিংবা নাম, অথবা দেব-দেবীর কোন চিহ্ন ইত্যাদি বানায়। এটা সম্পূর্ণ হারাম ও গোনাহে কবীরা। সহীহ বুখারীর ৫৯৪৮ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ ব্যক্তিদের উপর লানত করেছেন।

(৮) শয়তান আল্লাহকে বলেছিলঃ হে আল্লাহ! দুনিয়াতে আমার বাণী কী হবে? তখন আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ মানুষের যা মিথ্যা কথা হবে তোমার বাণী। সহীহ বুখারীর ৩৩ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মিথ্যা বলা মুনাফিকের নিদর্শন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মিথ্যা বলা থেকে হিফাযত করুন। চার জন সাহাবা থেকে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

يُطْبَعُ الْمُؤْمِنُ عَلَى الْخِلَالِ كُلِّهَا إِلَّا الْخِيَانَةَ وَالْكَذِبَ

“মু’মিন বান্দার মধ্যে সব রকম কুঅভ্যাস থাকতে পারে কিন্তু সে আমানতে খিয়ানত করতে পারে না ও মিথ্যা কথা বলতে পারে না।” এটা মুসনাদে আহমাদের ২২১৭০ নম্বর হাদীস।

(৯) শয়তান দুনিয়ায় আসার সময় আল্লাহকে বলেছিলঃ হে আল্লাহ! দুনিয়াতে আমার বার্তাবাহক হবে কারা? তখন আল্লাহ বলেছিলেনঃ তোমার বার্তাবাহক হবে জ্যোতিষীরা। সুনানে তিরমিযীর ১৩৫ নম্বর হাদীসে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

مَنْ أَتَى كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ

“যে ব্যক্তি জ্যোতিষীর কাছে এসে তার ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করল, সে নবীর উপর অবতীর্ণ দ্বীনকে অস্বীকার করল।” সহীহ মুসলিমের ৫৭১৪ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে গিয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস করবে, তার ৪০ দিনের নামায কবূল হবে না। অতএব, সাবধান! আমরা যেন কোন জ্যোতিষী, গণক, হস্তরেখাবিদ, ভবিষ্যদ্বক্তা প্রভৃতি ধোঁকাবাজদের কাছে কখনই না যাই।

(১০) শয়তান আল্লাহকে বলেছিলঃ হে আল্লাহ! দুনিয়ায় আমার শিকার ধরার ফাঁদ কী হবে? আল্লাহ তায়ালা বলেছিলেনঃ তোমার ফাঁদ হবে, নারীজাতি। সহীহ বুখারীর ৫০৯৬ নম্বর হাদীসে উসামাহ (রাযি) থেকে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ

“আমি আমার পর পুরুষদের জন্য নারীজাতি অপেক্ষা অধিক ক্ষতিকর কোন ফেতনা রাখিনি।”

সুধীমণ্ডলী! আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ) ইগাসাতুল লাহফান নামক কিতাবে ১ম খণ্ডের ৪৪৪ পৃষ্ঠায় এ দীর্ঘ হাদীসটি বর্ণনা করে লিখেছেন, এ হাদীসের সমর্থনে বহু হাদীস রয়েছে এবং এর প্রতিটি কথা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা সমর্থিত। আমরা দুআ করি, আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে এই ১০ টি বিষয়ে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করার তাওফীক দান করুন এবং আমাদেরকে ইবলীস শয়তান ও তার সমূহ চক্রান্ত থেকে হিফাযত করুন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।

وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

**সমাপ্ত**


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages