বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে চারজন মিলে এক নারী'কে গণ'ধ*র্ষ*ণের অভিযোগ উঠেছে।
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে চারজন মিলে এক নারী'কে গণ'ধ*র্ষ*ণের অভিযোগ উঠেছে।
"পবিত্র শবে বরাতে"র রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী ও তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০–২৫ দিন আগে তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করতেন। সেখানেই তালতলী উপজেলার পাঁচকোড়ালিয়া ইউনিয়নের মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে হিরন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।
বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরন এক সময় ভুক্তভোগী নারী ও তার মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় যান এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করবেন—এমন আশ্বাসও দেন।
এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারী হিরনের সঙ্গে মহিপুর থেকে তালতলী উপজেলার পাঁচকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বরপাড়া এলাকায় যান। পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরন তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু রাতের বেলায় হিরনসহ আরও তিন ব্যক্তি তাকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
গভীর রাতে অভিযুক্তরা একসঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে গেলে সেই সুযোগে ভুক্তভোগী নারী পালিয়ে পাশের একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই সারারাত অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হিরন এর আগেও একাধিক নারীকে একইভাবে বাড়িতে নিয়ে এসে এমন অপরাধ করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
❗ প্রশ্ন থেকে যায়—বিয়ের নামে প্রতারণা করে এমন ভয়ংকর অপরাধ বারবার ঘটলেও অভিযুক্তরা কীভাবে এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে?
ভুক্তভোগীর প্রতি দোষারোপ নয়, বরং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই এখন সময়ের দাবি।
