রাজধানীর মিরপুরের বিহারি ক্যাম্প এলাকার একটি বাড়ী থেকে দুই সন্তানসহ এক দম্পতির ম*রদেহ উদ্ধার।
রাজধানীর মিরপুরের বিহারি ক্যাম্প এলাকার একটি বাড়ী থেকে দুই সন্তানসহ এক দম্পতির ম*রদেহ উদ্ধার।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, শিশু সন্তানদের হ*ত্যা*র পর বাবা-মা আ'ত্ম'হ'ত্যা করেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, নি'হ'ত পরিবারটি টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রিকশাচালক মাসুম বেশ কিছুদিন ধরে চরম অর্থকষ্টে ভুগছিলেন এবং তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। অভাবের তাড়নায় এই পরিবারটি দিশেহারা ছিল।
এ পরিবারটি বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়েছিল। যার ফলে তারা ঋণগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসত। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আ'ত্ম'হ*ত্যা করেছেন।
৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে ম*রদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ম*রদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল ম'র্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নি'হ'তরা হলেন- মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি, সাড়ে ৩ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে আসাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের (পল্লবী) বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের লা'শ পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃ*ত্যু হয়।
পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহীন আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের ম*রদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য ম*রদেহ গুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ম*রদেহ গুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অভাবের তাড়নায় একটি সাজানো পরিবারের এভাবে ধ্বং'স হয়ে যাওয়া সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন। যারা বলে দেশের মানুষ খুব ভালো আছে, দেশের কোন মানুষ না খেয়ে মা-রা যাচ্ছে না তাদের এসব দেখা উচিত।
আ'ত্ম'হ*ত্যা কোন কিছু র সমাধান নয়, আল্লাহর জমিন প্রশস্থ। রিযিকের মালিক আল্লাহ। তার উপরই আমাদের ভরসা করা উচিৎ। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন। 🤲🤲
