জুমআর দিন কে কেমন সওয়াব পাবে? আর কে বিশেষ সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে?

আমাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য হওয়া উচিত জুমআর দিন আগে ভাগে মসজিদে গমন করা। যে ব্যক্তি জুমআর দিন প্রথম ঘন্টায় মসজিদে উপস্থি হবে তার জন্য রয়েছে অনেক বড় একটি সওয়াব, আর যারা জুমআর খুৎবা শুরু হয়ে যাওয়ার পর মসজিদে উপস্থিত হয় তাদের জন্য সেদিন ফেরেশতারা আর কোন বিশেষ সওয়াব লেখেন না বরং খুৎবা শুরু হয়ে যাওয়ার সাথে  সাথে ফেরেশতারা তাদের সওয়াব লিপিবদ্ধ করার খাতাটি গুটিয়ে ফেলেন।

হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমআর দিন নাপাকীর গোসলের মত গোসল করল। অতঃপর প্রথম সময়ে (মসজিদে গিয়ে) উপস্থিত হল, সে যেন এক উষ্ট্রী কুরবানী করল। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় সময়ে উপস্থিত হল, সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। যে ব্যক্তি তৃতীয় সময়ে পৌঁছল, সে যেন একটি শিং-বিশিষ্ট মেষ কুরবানী করল। যে ব্যক্তি চতুর্থ সময়ে পৌঁছল, সে যেন একটি মুরগী দান করল। আর যে ব্যক্তি পঞ্চম সময়ে পৌঁছল, সে যেন একটি ডিম দান করল। অতঃপর যখন ইমাম (খুতবাদানের জন্য) বের হয়ে যান (মিম্বরে চড়েন), তখন ফিরিশ্‌তাগণ (হাজরী খাতা গু টিয়ে) যিক্‌র (খুতবা) শুনতে উপস্থিত হন।”
(মালেক, মুঅাত্তা, বুখারী ৮৮১, মুসলিম, সহীহ ৮৫০, আবূদাঊদ, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, নাসাঈ, সুনান)
তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জুমআর দিন উট বা উষ্ট্রী কুরবানী করা, যদি সেটা মিস করি তবে যেন গাভী কুরবানী করতে পারি, আর যদি সেটাও মিস করে ফেলি তবে যেন অন্তত একটা ছাগল/মেষ কুরবানী করতে পারি, আর যদি সেটাও মিস করে  ফেলি তবে যেন অন্তত একটি মুরগী দানের সওয়াব অর্জন করতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন আমীন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url